ডিজিটাল সেবাসমূহ

ডিজিটাল সেবা সমুহে যা যা থাকছে


১. ব্র্যান্ডেড এস.এম.এস. সার্ভিস:

 প্রত্যেক নামজারি আবেদনের শুরু হতে নামজারি খতিয়ান সরবরাহ পর্যন্ত ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে ব্র্যান্ডেড এস.এম.এস. যাবে (যেমনঃ LandOffice)। এই এস.এম.এস. এর মাধ্যমে নামজারির আবেদনকারী যেসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন তা হলো - আবেদন গ্রহণ এবং তহসিলে প্রেরণ, অনুমোদনের সম্ভাব্য তারিখ এবং খতিয়ান গ্রহণের তারিখ ইত্যাদি। সরাসরি আবেদনকারী জমির মালিকের নিজস্ব মোবাইল নম্বরে এই এস.এম.এস প্রদানের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে জমিজমা বিষয়ে সচেতনতা ও আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

 

২. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নামজারি:

 উপজেলায় পর্যায়ে ৪৫ কর্মদিবস নামজারির জন্য নির্ধারিত। এটিকে একটি কাঠামোর আওতায় এনে স্বল্প সময়ে ২২ কর্ম দিবসের মধ্যে নামজারি প্রক্রিয়াটি সম্পন্নকরার জন্য রয়েছে একটি ডেটাবেইজ ফরম। আবেদনকারী আবেদন করার পর ভূমি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি একটি কেস ফাইল ওপেন করবেন এবং আবেদনকারীর বিবরণ লিপিবদ্ধ করবেন। এই ফরমে রয়েছে অটোমেটেড ডেট ক্যালকুলেশন সিস্টেম। আবেদনের তারিখ লিপিবদ্ধ করার সাথে সাথে তহসিলে নথি প্রেরণ, তহসিল হতে নথি প্রাপ্তি, শুনানির তারিখ, অনুমোদনের সম্ভাব্য তারিখ, খতিয়ান গ্রহণের তারিখ ইত্যাদির নির্ধারিত সময়সীমা নির্দিষ্ট হয়ে যাবে। ফলে নামজারি সহকারী, তহসিলদার, কানুনগো ও এসিল্যান্ড জানতে পারবেন নথিটি পর্যবেক্ষণের জন্য কার কাছে কতদিন সময় আছে। এতে করে নামজারি প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

 

৩. রেজিষ্টার ৯:

 নামজারির ফরমের সাথে সাথে রেজিষ্টার- ৯ তৈরি হয়ে যাবে এবং তা প্রিন্ট ও বাঁধাই করে রেজিষ্টার বহি প্রস্তুত করা যাবে।

 

৪. ড্যাশবোর্ড:

 এ এপ্লিকেশনে রয়েছে ড্যাশবোর্ড এর ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে জানা যাবে নামজারির কতগুলো নথি- নামজারি সহকারী, তহসিল অফিস, কানুনগো ও এসিল্যান্ড –এর কাছে আছে এবং কতগুলো নথি নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও হাতে রয়ে গেছে। সুতরাং এসিল্যান্ড খুব সহজেই নথি ট্র্যাকিং করে সবাইকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারবেন এবং নিজেও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনকালে জবাবদিহিতার আওতায় থাকবেন।

 

৫. নামজারির অনলাইন আবেদন:

 ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যে কেউ যে কোন স্থান হতে অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদন করতে পারবেন। দলিল ও অন্যান্য কাগজপত্র স্ক্যান এর মাধ্যমে আপলোড করে আবেদনের সাথে পাঠাতে 

 
৬. মিছ্ (বিবিধ) মামলার আপডেট:

আবেদনকারীরা অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মামলা নম্বর দিয়ে তার মামলার সর্বশেষ আপডেট জানতে পারবেন।


৭. নকলের জন্য আবেদন:

 নামজারি কিংবা মিছ্ মামলার আদেশপত্র ও নামজারি খতিয়ানের নকলের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।


৮. ভূমি উন্নয়ন কর ক্যালকুলেটর:

 ভূমি উন্নয়ন করের পরিমাণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা যায়। । অনলাইনে যে কেউ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে জানতে পারবেন তার জমির বাৎসরিক করের পরিমাণ।

 

৯. ভূমি অফিসের ডিজিটাল রেকর্ডসমূহ:

 ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যে কেউ রেকর্ড দেখার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এতে থাকছেঃ (১) জমির মৌজাম্যাপ থেকে দাগ দেখার সুবিধা (২) দাগসূচি রেজিষ্টার (৩) খতিয়ান (৪) বর্তমান দাগের সাবেক দাগ।

 


১০. সরকারি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমি সার্চিং সিস্টেম:

সরকারি জমি ব্যবস্থাপনা, নামজারি বা অন্যান্য তদন্তের কাজকে সহজতর করার জন্য রয়েছে এই সার্চিং সিস্টেম। এর মাধ্যমে জানা যাবে- ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমি, পরিত্যক্ত সম্পত্তি, অর্পিত সম্পত্তি (ক ও খ তালিকা), ওয়াকফ সম্পত্তি ইত্যাদি তথ্য। এর মাধ্যমে নামজারিকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা অধিনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ কোন দাগে সরকারি স্বার্থ আছে কিন তা সহজেই যাচাই করতে পারবেন।


১১. রেজিস্টার (২,৩,৪,৫,৭,৯,):
 নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর হতে প্রত্যেক হোল্ডিংয়ের বকেয়া খাজনার পরিমাণ, সুদের হার, মোট দাবির পরিমাণ, দৈনিক আদায়ের পরিমাণ, চালান মারফত জমা, ডিসিআর মারফত নামজারি ফি ও অন্যান্য আদায় ইত্যাদি সকল রেজিস্টারের প্রযোজ্য অংশটুকু নিয়ে আর্থিক বিষয়াদি ব্যবস্থাপনা ও তদারকির নিমিত্তে উক্ত রেজিস্টারগুলো সফ্টওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন, মাস বা মধ্যবর্তী যেকোন সময়ের আর্থিক বিষয়ে সংক্রিয়ভাবে প্রতিবেদন তৈরি হবে যার মাধ্যমে এই বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যাবে।


১২. অনলাইনে অভিযোগ দাখিল:

 ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যে কেউ যে কোন বিষয়ে অভিযোগ করতে পারবেন। এই অভিযোগ শুধুমাত্র এসিল্যান্ড বা পরিদর্শনকালে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখতে পারবেন।


১৩. মতামত:

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যে কেউ সেবা প্রদান সম্পর্কিত বা অন্যান্য উন্নয়নমূলক বিষয়ে তার পরামর্শ বা মতামত জানাতে পারবেন।


১৪. ফাইল ইনভেনটরি সিস্টেম:

এই সফটওয়্যার মাধ্যমে জানা যাবে রেকর্ডরুমে কতগুলো নথি আছে। কোন নির্দিষ্ট নথি কোন র‌্যাক-সেল-কলাম এ আছে, তা খুব সহজেই খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। এছাড়া থাকছে ট্র্যাকিং সিস্টেম, যেমন যে কোন নথি রেকর্ড রুম হতে “in - out” লিপিবদ্ধ থাকবে। তাই যেকোন সময়ে জানা যাবে নির্দিষ্ট নথিটি কখন কোন ব্যক্তি/কোন অফিস গ্রহন করেছে।

 

 

মৌজা ম্যাপ ও দাগ দেখুন

ভূমি উন্নয়ন করের পরিমাণ জানুন

ই-রেকর্ড রুম

নামজারির অনলাইন আবেদন

আপনার নামজারি মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানুন

ভূমি উন্নয়ন কর ক্যালকুলেটর